Help line: 01790-181018

LPC070. কস্তুরী বাটি শাক (200)/Kosturi Pak Choy

আয়-আয় পাক-পাক চোই-চোই ! বন্যা বা বর্ষায় কস্তরী/কচুরি পানার(Water hyacinth) ভীষন ভীড়ে নব্য হাঁসের বাচ্চাকে গ্রামীন গৃহবধুগন এভাবেই ডেকে থাকেন । বাটি শাক যার বৃটীশ ইংরেজী নাম পাক চোই(Pac choi); দেখতে অনেকটা কচুরি পানা/কস্তরীর ন্যায় আর এদেশে নব্যই বটে । কাজেই সকলকে সেই সুরে ডাকা হচ্ছে ভেসে বেড়ানো মুল্যবান ও খাঁটি বাটি শাকের দিকে যেন তা হারিয়ে না যায় । বাটি শাক-সাধারণভাবে সরিষা আর বিশেষভাবে বাঁধাকপি পরিবারের সদস্য । এই চীনা শাক আসলে এক ধরনের ছঁড়ানো পাতা বাঁধাকপি (Loose Leaf Chinese Cabbage) । পত্রবৃন্তসহ চামচাকৃতি এবং গাঢ় সবুজ পাতা বাটির আকৃতি ধারন করায় ইহাকে চামচ শাক বা বাহুল্লাংশে বাটি শাক বলা হয় । বোঁটাসহ পাতা ভেজে ও স্যুপ তৈরি করে খাওয়া হয় । বিশ্বাস করুন বা না করুন-এই বাটি শাক অন্তত: ৭০ রকম এন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানে ভর্তি যদ্বারা ক্যান্সারের ঝুকি কমানো নিয়ে প্রচুর ফলপ্রসু গবেষণা হয়েছে ।
SKU: LPC070
Old price: 70.00৳
50.00৳
Ship to
*
*
Shipping Method
Name
Estimated Delivery
Price
No shipping options




বোঁটাসহ বাটি শাক

বাবাঁধাকপিরই স্বাদ !

এই চীনা শাককে হয়ত আমরা সবাই চিনি না কিন্তু এর স্বাদ পরিচিত বাবাঁধাকপির ন্যায় । বাটি শাককে (Brassica rapa var. chinensis) বক চোই (Bok choi), চাইনিজ সরিষা, চামচ বাঁধাকপি এবং চৈনিক ম্যান্ডারিন ভাষায় সবুজ সব্জী বলা হয় ।

সুপার ফুড হিসেবে বাটিশাক চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ তথা প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন-ভিটামিন-মিনারেল- ক্যালসিয়াম ও ফাইবার সমৃদ্ধ কিন্তু ক্যালরি কম আবার আমাদের পেট নামক বাটিকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ভরা রাখে । কাজেই ডায়াবেটিস সমস্যা-হাড় ক্ষয় রোধ ও যারা ওজন কমানোর চেষ্টায় আছেন তারা ছোট বাটির ১ বাটি করে বাটি শাক প্রায়শই খাওয়ার চেষ্টা করুন । দেহে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে সাহায্য করে । বিস্ময়কর এই শাকটিতে কোলেস্টেরল মাত্রা-শূন্য ।

বীজ বপনের দুই মাসের মধ্যে ফসল তোলা যায় । গাছ একবারে বা ধাপে ধাপে পাতা-চামচ তুলে খাওয়া যেতে পারে । বাটি শাক কাঁচা খেতে না পারলেও অল্প সিদ্ধ করলে স্বাদ একটু কম (ব্যক্তি বিশেষে) পুষ্টি বেশী । পালংশাকের চেয়ে বাটি শাক বেশী পুষ্টির দাবি রাখে । ৩-৪ দিন ফ্রিজে সংরক্ষিত হতে পারে । রোগ-পোকা-পরিশ্রম-খরচাদি সবই কম হওয়ায় বাটি শাকের জনপ্রিয়তা বাংলাদেশে দিন দিন বাড়ছে । ৫ম শতাব্দীতে চীনে প্রবর্তিত হয়ে অদ্যোবধি চাষ চলছে ।

Write Your Own Review

Only registered users can write reviews